শিশুকে হত্যা করে ড্রামে ভরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, আদালতে স্বীকারোক্তি
রাজধানীর কদমতলীতে সাত বছর বয়সী শিশু রিফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া এক নারীর জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত শিশুর মরদেহের সঙ্গে পাওয়া একটি পোশাকের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে যায় এবং পরে সন্দেহভাজন হিসেবে মায়া আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঘটনার পর একটি ড্রাম বহন করে বাসা থেকে বের হচ্ছেন ওই নারী। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে একই ভবনে বসবাসের সময় একটি মোবাইল ফোন হারানোর ঘটনায় শিশুর পরিবারকে সন্দেহ করতেন মায়া আক্তার। সেই ক্ষোভের জেরে তিনি শিশুটিকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। একপর্যায়ে শিশুটির মৃত্যু হলে মরদেহ গোপন করার চেষ্টা করা হয়।
তদন্তে আরও জানা যায়, মরদেহ একটি ড্রামে রেখে রাজধানীর অন্য এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে শিশুর পরিবারের সঙ্গে খোঁজাখুঁজিতেও অংশ নেন অভিযুক্ত নারী।
কদমতলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, আদালতে হাজির করা হলে মায়া আক্তার ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
📍 আরডিএম প্রতিনিধি | আরডিএম নিউজ ২৪
📍 ঢাকা, বাংলাদেশ