মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যা: ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার প্রধান আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে পাশবিক ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত মূল আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে, অবুঝ শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পল্লবী থানা পুলিশ।
পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার পর থেকেই আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ঘাতকদের অবস্থান শনাক্তে মাঠে নামে পুলিশ। অভিযানের একপর্যায়ে প্রথমে সহযোগী স্বপ্না আক্তারকে এবং পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে পল্লবীর একটি বাসায় দ্বিতীয় শ্রেণির ফুটফুটে শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে প্রথমে ধর্ষণ এবং পরে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এই বর্বরোচিত ঘটনার পর এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তবে ঘটনার ৭ ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামিকে গ্রেপ্তার ও তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায়কে পুলিশের একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
অপরাধ ও আদালত ডেস্ক | RDM News 24 | ঢাকা, বাংলাদেশ