ইরান যুদ্ধে ৪২টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস, ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলার

admin

May 21, 2026

ইরান যুদ্ধে ৪২টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ধ্বংস, ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলার

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৪২টি অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের সাম্প্রতিক এক যৌথ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। একই সাথে পেন্টাগন জানিয়েছে, এই যুদ্ধের পেছনে ওয়াশিংটনের সামরিক ব্যয় ইতিমধ্যে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি) গিয়ে ঠেকেছে।

কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশপথে একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার যে পরিকল্পনা নিয়ে ওয়াশিংটন যুদ্ধে নেমেছিল, সংঘাতের ব্যাপ্তি ও আর্থিক ক্ষতি তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি। চলমান সামরিক তৎপরতা এবং কঠোর গোপনীয়তার কারণে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া বিমানগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক ও ব্যয়বহুল সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে। যার মধ্যে ৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান, ১টি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ লাইটনিং-২ স্টেলথ ফাইটার, ১টি এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২ অ্যাটাক বিমান, কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাঙ্কার, ১টি ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমান, ২টি বিশেষ অভিযান বিমান, ১টি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার, ২৪টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নজরদারি ড্রোন এমকিউ-৪সি ট্রিটন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পেন্টাগনের অর্থবিষয়ক প্রধান জুলস হার্সট ৩ গত ১২ মে এক শুনানিতে জানান, ধ্বংসপ্রাপ্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সরঞ্জাম দ্রুত মেরামত এবং প্রতিস্থাপনের নির্ভুল হিসাব আসার কারণেই মূলত যুদ্ধব্যয় এক লাফে এত বৃদ্ধি পেয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর সমন্বিত বিমান হামলা চালালে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব নিহত হন। পরবর্তীতে গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও পর্দার আড়ালে উত্তেজনা এখনো চরম পর্যায়ে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | RDM News 24 | ঢাকা, বাংলাদেশ

 

Leave a Comment

হোম
নতুন খবর
খবর
যোগাযোগ