*আমের আঁটিতে লুকিয়ে থাকতে পারে একাধিক রোগ প্রতিরোধের উপকারিতা*
আম খাওয়ার পর সাধারণত আমরা আঁটিটি ফেলে দিই। অনেকের কাছেই এটি অপ্রয়োজনীয় একটি অংশ। তবে আয়ুর্বেদের মতে, এই আমের আঁটিতেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণ, যা সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলসহ একাধিক শারীরিক সমস্যায় উপকার দিতে পারে। এমনকি যারা সুগারের কারণে আম খেতে ভয় পান, তারাও আমের আঁটি ব্যবহারের মাধ্যমে উপকার পেতে পারেন বলে বিশেষজ্ঞদের মত।
আমের আঁটিতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, কপার ও ফোলেট। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ম্যাঙ্গিফেরিন নামক উপাদানটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে বলে ধারণা করা হয়।
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, আমের আঁটি শুকিয়ে গুঁড়ো করে সেবন করলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি সীমিত পরিমাণে উপকারী হতে পারে বলে মনে করা হয়।
এছাড়া আমের আঁটিতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করা, ডায়রিয়া ও আমাশয়ের মতো সমস্যায় উপকার এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও আমের আঁটির ভূমিকা থাকতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ পাওয়া যায়। কিছু গবেষণা অনুযায়ী এটি ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে।
খাওয়ার পদ্ধতিতে বলা হয়, পাকা আমের আঁটি শুকিয়ে গুঁড়ো করে পানি বা আটার সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করা যায়। কেউ কেউ এটি হালকা ভেজে লবণ দিয়ে স্ন্যাকস হিসেবেও খেয়ে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে ও পরিমিত ব্যবহার করা গেলে ফেলে দেওয়া এই অংশটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
📍 স্বাস্থ্য ডেস্ক | আরডিএম নিউজ ২৪
📍 ঢাকা, বাংলাদেশ