ডলার রূপান্তরে শত কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি ও জ্বালানি চুরি: তীব্র প্রশ্নের মুখে পদ্মা অয়েল
আর্থিক অব্যবস্থাপনা ধামাচাপা দিতে তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা এবং দেশের ভিআইপি সিকিউরিটি জোনে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ।
ঢাকা: দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জেট ফুয়েল বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এখন ইতিহাসের অন্যতম বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি ও ধারাবাহিক জ্বালানি চুরির অভিযোগে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর কাছ থেকে জেট ফুয়েলের মূল্য বাবদ পাওয়া কোটি কোটি মার্কিন ডলারের রহস্যজনক ফরেন কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট এবং একের পর এক বিমানবন্দর ডিপো থেকে উচ্চমূল্যের জ্বালানি চুরির ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ তদারকি ব্যবস্থা ও পরিচালন দক্ষতার চরম বিপর্যয়কে জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে। খাত সংশ্লিষ্ট বড় বড় বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, পদ্মা অয়েলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সুকৌশলে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি সাধন করছে, যা কেবল প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেনি, বরং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর এক বিশাল নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করেছে। এই মহা-অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও রহস্যজনক কারণে থমকে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আর্থিক বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পদ্মা অয়েলের প্রশ্নবিদ্ধ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও ডলার বিক্রির নীতি। বিদ্যমান আইন ও আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো ব্যবহারকারী বিদেশি বিমান সংস্থাগুলো জেট ফুয়েল ক্রয়ের মূল্য সরাসরি মার্কিন ডলারে পরিশোধ করে থাকে। নিয়ম রয়েছে এই ডলার একটি সুনির্দিষ্ট ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্টে সংরক্ষণ করার, যাতে পরবর্তীতে রাষ্ট্র বা মূল প্রতিষ্ঠান তা জ্বালানি আমদানির পেমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, পদ্মা অয়েলের অর্থ ও হিসাব বিভাগের একটি বড় চক্র এই ডলার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে বা নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে জমা না রেখে, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে দেশীয় মুদ্রা টাকায় রূপান্তর করে ফেলছে। পরবর্তীতে যখন পদ্মা অয়েলের মূল অভিভাবক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসিকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে পুনরায় জেট ফুয়েল বা অন্যান্য জ্বালানি আমদানি করতে হচ্ছে, তখন তাদের বাজার থেকে অনেক বেশি দরে ডলার কিনতে হচ্ছে। দেশি ও বিদেশি বিমান সংস্থাগুলো বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার৬০০ টন জেট ফুয়েল ক্রয় করে এবং গত এক বছরে মোট বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৭৭ হাজার টন। এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি বিক্রির ডলার মজুত না রেখে তাৎক্ষণিক রূপান্তরের কারণে ডলারের বিনিময় হারজনিত পার্থক্যের সৃষ্টি হচ্ছে।
এই আর্থিক হরিলুটের ফলে রাষ্ট্রের যে অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে, তা নিয়ে গুরুতর গাণিতিক ও কৌশলগত বিশ্লেষণ হাজির করেছেন অর্থনীতিবিদরা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরী এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ডলার ধরে না রেখে সাথে সাথে বেসরকারি ব্যাংকে কম দামে রূপান্তর করার এই আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলে রাষ্ট্র সরাসরি প্রায় ২ টাকা করে লোকসান গুনছে। গত এক বছরে বিক্রি হওয়া ৩ লাখ ৭৭ হাজার টন জেট ফুয়েল আমদানির ও বিক্রির আন্তর্জাতিক হিসাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এই বিনিময় হারের মারপ্যাঁচে কেবল এক বছরেই রাষ্ট্রের সম্ভাব্য রাজস্ব ও মূলধনী ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রসঙ্গে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম তামিম গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, ডলার রূপান্তরের এই আত্মঘাতী প্রক্রিয়াটি যদি পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া অনিয়মিতভাবে হয়ে থাকে, তবে এটি নিশ্চিত যে এর পেছনে থাকা সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে বিশাল অংকের কমিশন বা আর্থিক সুবিধা লাভ করেছেন। আর যদি এটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিয়মিত করা হয়ে থাকে, তবে তা আরও বড় অপরাধ, কারণ বিপিসিকে বড় ধরনের লোকসানের মুখে ঠেলে দিয়ে পদ্মা অয়েল কৃত্রিমভাবে নিজেদের খাতায় অতিরিক্ত মুনাফা দেখাচ্ছে, যা চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির সাথে এক ধরনের প্রতারণা।
এদিকে এই ভয়াবহ ডলার কেলেঙ্কারির ঘটনা উদঘাটনে গঠিত তদন্ত কমিটির কার্যকারিতা ও আন্তরিকতা নিয়েও চারদিকে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পদ্মা অয়েলের অর্থ ও ডলার রূপান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেটটি এতটাই শক্তিশালী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী যে তারা নিজেদের অপরাধ ঢাকতে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কার্যক্রমকেও দীর্ঘায়িত ও স্থবির করে দিতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনার গভীরতা খতিয়ে দেখতে গত ১৮ এপ্রিল সরকারের জ্বালানি বিভাগ একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং বিষয়টির সংবেদনশীলতা বিবেচনায় নিয়ে কমিটিকে মাত্র পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, এক মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি এখনো তাদের কোনো প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য তথা জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব ইশরাত রেজা বিলম্বের পক্ষে যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, বিষয়টির আর্থিক ও দাপ্তরিক জটিলতার কারণে তদন্ত শেষ করতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। তারা ইতিমধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন এবং শিগগিরই অন্যান্য সদস্যদের সাথে বসে সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন। একই সুরে কথা বলেছেন পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান, যিনি পরিচালনা পর্ষদের কিছু প্রক্রিয়াগত জটিলতাকে এই বিলম্বের কারণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এম তামিম এই অজুহাতকে সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন যে, ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের এই যুগে ব্যাংকিং লেনদেনের তথ্য বের করা মাত্র কয়েক ঘণ্টার কাজ, সেখানে মাসের পর মাস সময় লাগার মানেই হলো অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা। বাংলাদেশে প্রায়শই গণমাধ্যমের চোখ ফাঁকি দিতে ও মূল অভিযোগ ধামাচাপা দিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যা পরবর্তীতে আর আলোর মুখ দেখে না।
এই বিশাল আর্থিক দুর্নীতির তদন্তের মাঝেই কেঁচো খুঁড়তে সাপ বের হওয়ার মতো করে কোম্পানির অভ্যন্তরীণ অর্থ ও হিসাব বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাঞ্চন চন্দ্র সোমের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের নাম উঠে এসেছে। কোম্পানির অভ্যন্তরীণ সুনির্দিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, এই চক্রটিই মূলত বেসরকারি ব্যাংকের সাথে গোপন আঁতাত করে ডলার বিক্রির মূল হোতা এবং পরবর্তীতে বেশি দামে ডলার ক্রয়ের কৃত্রিম সংকট তৈরির কারিগর। তবে এই সমস্ত গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অর্থ ও হিসাব বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাঞ্চন চন্দ্র সোম সম্পূর্ণ বিস্তারিত মন্তব্য এড়িয়ে যান এবং দায় এড়ানোর চেষ্টা করে জানান যে, বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর হিসাব ও লেনদেনের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণের মূল দায়িত্বটি আসলে বিপণন বিভাগের মহাব্যবস্থাপকের, তার বিভাগের নয়। এই দীর্ঘসূত্রতা এবং জবাবদিহিতার অভাবের মাঝেই বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ডলারে সরাসরি অর্থ গ্রহণ ও তা সংরক্ষণের জন্য পদ্মা অয়েলকে বিগত কয়েক বছর ধরেই বারবার ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট খোলার লিখিত ও মৌখিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সেই নির্দেশনা বছরের পর বছর উপেক্ষিত থাকার পর, সম্প্রতি তীব্র চাপের মুখে প্রতিষ্ঠানটি একটি ফরেন কারেন্সি অ্যাকাউন্ট চালু করেছে। বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (অডিট) জাহাঙ্গীর কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন যে, প্রক্রিয়াটি মাত্র শুরু হয়েছে এবং এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো এর সঠিক ও স্বচ্ছ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, যাতে সংকটকালে এই ডলার ব্যবহার করে সরাসরি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও ঋণ পরিশোধ সহজ হয়।
পদ্মা অয়েলের এই ব্যাপক আর্থিক কেলেঙ্কারির ক্ষত দগদগে থাকার মাঝেই প্রতিষ্ঠানটির ভৌত নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার চরম অবক্ষয় ফুটিয়ে তুলেছে ধারাবাহিক জ্বালানি চুরির ঘটনা। গত ১১ মার্চ দেশের তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ডিপো থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়া ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল বহনকারী একটি বিশাল ট্যাংকার নির্ধারিত গন্তব্যে না পৌঁছে মাঝপথেই সম্পূর্ণ গায়েব হয়ে যায়। এই স্পর্শকাতর ও জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিতকারী ঘটনার তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই, গত ১৮ মে কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল চট্টগ্রামের পতেঙ্গার একটি বেসরকারি অবৈধ ডিপোতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে আরও ৯ হাজার লিটার চোরাই জেট ফুয়েল এবং ৫ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এই বিশাল পরিমাণ জেট ফুয়েল মূলত চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মূল ডিপো থেকেই অত্যন্ত সুসংগঠিত চোরচক্রের মাধ্যমে চুরি করা হয়েছিল। এই ঘটনায় পতেঙ্গা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সজীব আহমেদ জানিয়েছেন যে, চুরির নেটওয়ার্কটির শিকড় অনেক গভীরে এবং তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
জাতীয় নিরাপত্তা ও বিমানের জ্বালানি চুরির এই ভয়াবহ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে গোদনাইল ডিপোর পাঁচ কর্মকর্তাকে এবং পতেঙ্গা ডিপোর ঘটনার পর আরও চার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং জড়িত অন্যান্যদের বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেবল নিচের স্তরের কর্মচারীদের বরখাস্ত করে এই বিশাল সিন্ডিকেট দমন সম্ভব নয়। বর্তমানে খোলা বাজারে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের মূল্য প্রায় ২০৫ টাকা, যা দেশের যেকোনো পেট্রোলিয়াম পণ্যের চেয়ে অনেক বেশি দামি। এত উচ্চমূল্যের ও স্পর্শকাতর একটি জ্বালানি কীভাবে বিমানবন্দর ও রাষ্ট্রীয় কেপিআইভুক্ত এলাকা থেকে প্রকাশ্যে পাচার হয়ে সাধারণ কেরোসিন হিসেবে খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে, তা পুরো ব্যবস্থার পচনকে নির্দেশ করে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এম তামিম অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে উল্লেখ করেছেন যে, এই ঘটনা প্রমাণ করে পদ্মা অয়েল কোম্পানির ভেতরে চোর ও আর্থিক অপরাধীদের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সিন্ডিকেট বসে আছে, যারা একদিকে ডলার পাচার ও রূপান্তরের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনীতি ধ্বংস করছে, অন্যদিকে সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে জ্বালানি চুরি করে বাজারে বেচাকেনা করছে। অবিলম্বে এই মাফিয়া চক্রের মূল হোতাদের আইনি প্রক্রিয়ায় কঠোর শাস্তি দেওয়া না হলে দেশের বিমান চলাচল খাত ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি চরম সংকটের মুখে পড়বে।
অর্থনৈতিক ও অপরাধ প্রতিবেদক | RDM News 24 | ঢাকা, বাংলাদেশ