অভিযোগের পর দলীয় পদ হারালেন যুবদল নেতা কফিল*
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর পরিস্থিতিতে ধরা পড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদলের নেতা মিজানুর রহমান কফিলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি পটিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
সোমবার (১ জুন) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।
সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নৈতিক আচরণবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কফিলকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে পটিয়া উপজেলার একটি এলাকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে উপস্থিত থাকার সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন কফিল। পরবর্তীতে ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
স্থানীয়দের দাবি, ওই নারীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন তাকে বাড়িতে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীর উদ্যোগে পরে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর একটি লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয় এবং কয়েক ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে মিজানুর রহমান কফিল অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে হেয় করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত একটি বিষয়ে কথা বলতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুরো ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখনো আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।